সর্বশেষ :
Home / সারাদেশ / তিন কারখানার শ্রমিকরা সড়কে অচলাবস্থা চন্দ্র-নবীনগর সড়ক

তিন কারখানার শ্রমিকরা সড়কে অচলাবস্থা চন্দ্র-নবীনগর সড়ক

নিজস্ব প্রতিবেদক:

গাজীপুর মহানগরের সারাবো এলাকার বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শ্রমিকেরা এক মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে ৮ ঘন্টা বিরতি দিয়ে আজও চক্রবর্তী এলাকায় চন্দ্রা-নবীনগর সড়ক অবরোধ করে রেখেছে। পাশাপাশি ডরিন ও আইরিশ কারখানা শ্রমিকরাও সড়কে অবস্থান নিয়েছে। এতে বন্ধ রয়েছে ওই সড়ক। চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের। পরিবহনগুলো চলছে বিকল্প রাস্তায়।

 

অক্টোবর মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে গত ১ সপ্তাহ ধরে চন্দ্রা-নবীনগর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের শ্রমিকেরা। গতকাল সকাল হতে রাত ১১ টা পর্যন্ত সড়কটি অবরোধ করে রেখেছিলেন। ৮ ঘন্টা বিরতি দিয়ে আবারও মঙ্গলবার সকালে তারা সড়কে অবস্থান নিয়েছেন।

 

শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বেক্সিমকো পার্কে স্টাফসহ ৪১ হাজার শ্রমিক কাজ করেন। প্রতি মাসের তাদের বেতনের পরিমান হয় ৮০ থেকে ৮২ কোটি টাকা। প্রতিমাসের ৭ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে তাদের বেতন দেয়া হতো। কিন্তু মালিকদের কেউ না থাকায় এখন বেতন ঠিকমতো পাচ্ছেন না। যার কারণে তারা গত বৃহস্পতিবার থেকে আন্দোলনশুরু করে। বেক্সিমকো কারখানার এই সমস্যার কারণে গতকাল সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়ে আরেকটি কারখানা ও এলাকাবাসীর মধ্যে। উত্তেজিত হয়ে একটি কারখানায় আগুন দেয় দুবৃত্তরা। ওই ঘটনার পর থেকে আশপাশের বেশ কিছু কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

 

কারখানার শ্রমিক ও শিল্প পুলিশ জানায়, গাজীপুর মহানগরের সারোবো এলাকায় বেক্সিমকো ইড্রাস্টিয়াল পার্কে বেশ কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বৈষ্যম বিরোধী ছাত্র-জনতার অভ্যুথানের পর গত কয়েক মাস ধরে শ্রমিকরা প্রতিমাসেরই আন্দোলন করে বেতন আদায় করছে। চলতি মাসেও আশপাশের প্রায় সব কারখানার বেতন ভাতা পরিশোধ করা হলেও চলতি মাসের ১৬ তারিখ হয়ে গেলেও বেক্সিমকোর শ্রমিকরা বেতন পায়নি। যার কারনে বেতনের দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছেন।

 

ডরিন কারখানার শ্রমিক আহমদ সাত্তার বলেন, আমাদের বেতন বকেয়া নেই। তবে আমাদের কারখানা বন্ধ রাখায় সড়ক অবরোধ করে রেখেছি। এছাড়াও বেক্সিমকোর পাশাপাশি আইরিন কারখানার শ্রমিকরাও সড়কে এসেছে।

 

কাশিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনের মতোই তারা আজও সড়ক অবরোধ করেছেন। তারা সারাদিন অবরোধ করে রেখে সেচ্ছায় রাতে সড়ক ছেড়ে দেন। তারা বেতন না পেলে সড়ক থেকে যাবেনা। কারখানা কর্তৃপক্ষও বেতন দিবেন এমন কোন আশ্বাস এখন পর্যন্ত দেননি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!