নীলফামারী প্রতিনিধি :-
নীলফামারী জলঢাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতের আধাঁরে রোপণকৃত ধান গাছ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করায় আবুল কাশেম (৬০) নামের ব্যক্তিকে রাস্তায় আটক করে হুমকি দিয়েছেন মর্মে অভিযোগ ভুক্তভোগীর।
গত ১৮ই সেপ্টেম্বর উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের সিদ্বেসরী বানিয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
অভিযোগের ভিত্তিতে সরজমিনে সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গেলে ভুক্তভোগী আবুল কাশেম জানান, তালুক শৌলমারী মৌজার ১৪৪ খতিয়ানের ৫৯ নং দাগে ২২ শতক জমি ক্রয়সূত্রে মালিক হয়ে দীর্ঘদিন যাবত চাষাবাদ সহ ভোগদখল করে আসছি। আমার জমি সংলগ্ন দুই পক্ষের মামলা সংক্রান্ত জটিলতার একটি জমিতে স্থানীয় ছেলেরা খেলাধুলা করে আসছে। প্রতিদিন বিকালে এখানে ফুটবল খেলা হয় এবং খেলার সময় আমার জমিতে রোপনকৃত ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমি অনেকবার বাঁধা নিষেধ করে আসছি। সম্প্রতি এরই একপর্যায়ে স্থানীয় বাসিন্দা আতিয়ার রহমানের ছেলে আপন মিয়া (১৯) ও রব্বানী (১৮) এন্তাজুল ইসলামের ছেলে রাব্বী (১৮) রাগান্বিত হয়ে আমাকে বলেন, ধানের ক্ষতি হয়েছে তাতে কি হয়েছে। বেশি বাড়াবাড়ি করলে জমির সমস্ত ধান উপরাইয়া ফেলিবে বলে হুমকি দেয়। আবুল কাশেম জানান, তাদের হুমকির পরদিন জমিতে গিয়ে দেখতে পাই জমির কিছু অংশের ধান উপরাইয়া ফেলে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে দিয়েছে এবং কিছু ধানগাছ গোড়া হইতে কর্তন করেছে। এতে আমার প্রায় ৩০ হাজার টাকা আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । বিষয়টি আমি আপন এর অভিভাবকদের জানালে তারাও আমার উপর চড়াও হয় এবং বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। আবুল কাশেম জানান, প্রতিপক্ষরা যেমনি দাঙ্গাবাজ তেমনি মামলাবাজ বটে। এ জন্য আইনের আশ্রয় গ্রহন করেছি। থানায় অভিযোগ দায়ের করায় গতকাল রাতে আপন মিয়া কিছু দুষ্কৃতিকারী ছেলেদের নিয়ে এসে ময়নার বাজারে আমার ছেলেকে আটক করে ডাংমার করতে উদ্যক্ত হয়। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তারা পালিয়ে যায়। আবুল কাশেম বলেন, আমি আইনের নিকট এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী করছি। এ বিষয়ে থানা পুলিশের তদন্ত অফিসার এএসআই সোহেল রানা জানান, তদন্ত কালে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। বিবাদীদের উগ্রপন্থী আচরণ লক্ষ করা গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal