হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান
নীলফামারী প্রতিনিধি
লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে নীলফামারীর জলঢাকার জনজীবন। রোদ ও প্রচন্ড তাপপ্রবাহের গরমে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বিদ্যুতের গ্রাহকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন। অনেকে বিরক্তি প্রকাশ করে দিচ্ছেন ফেসবুকে পোস্ট।
লোডশেডিংয়ের কারণে জলঢাকায় চিকিৎসা, শিক্ষা, ও কৃষিতে নেমে এসেছে বিপর্যয়। এ দিকে আমনের খেতে সেচ সংকট দেখা দিয়েছে। কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল হাজী পাড়া এলাকার গৃহিণী জান্নাতুন ফেরদৌসী বলেন, সারা দিনে কতবার যে বিদ্যুৎ যায়, তার হিসাব নেই। এক সপ্তাহ ধরে শুধু রাতেই পাঁচ-ছয় ঘণ্টা ধরে লোডশেডিং হচ্ছে। গরমের কারণে ঠিকমতো ঘুমাতে পারি না। বাচ্চাদের ঠিকমতো পড়াশোনা ও হচ্ছে না।
নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি জলঢাকার কর্মকর্তারা বলছেন, গ্যাস–স্বল্পতার কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদার তুলনায় অনেক কম বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছেন। এ কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
এছাড়া জলঢাকা উপজেলায় প্রতিদিন পল্লী ও নেসকোর বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঘাটতি থাকায় উপজেলায় দিনে ও রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এ অবস্থায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ বাসাবাড়ির লোকজন চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
নেসকোর জলঢাকার আঞ্চলিক কার্যালয়ের আবাসিক প্রকৌশলী বলেন, জলঢাকায় রাতে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১২৫ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে ৫৫ মেগাওয়াট, অর্থাৎ চাহিদার বিপরীতে অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে।
মঙ্গলবার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানাযায়
দিনে ও রাতের বেলা বিদ্যুৎ–সরবরাহের ঘাটতিতে জলঢাকার গ্রাহকেরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন।
বিদ্যুতের জাতীয় গ্রিড থেকে চাহিদা অনুযায়ী অনেক কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করায় এই দুর্যোগ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জলঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রকৌশলী।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal