সাইফুল ইসলাম সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: মুক্তিযুদ্ধ করেও সিরাজুল আলমস খানের স্বপ্নের সমাজতন্ত্র আমরা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। এটি আমাদের ব্যর্থতা। তবে দেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম দেখে যেতে চাই, এ সংগ্রামে শরিক হতে চাই। দেশে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সিরাজুল আলম খানের স্বপ্নের বাস্তবায়ন ঘটাতে হবে। ফরিদপুরে সিরাজুল আলম খান স্মরণে নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে এ কথাগুলি বলেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিস্ট ও গবেষক আবু সাঈদ খান এ কথাগুলি বলেন। ‘ব্যক্তির মৃত্যু আছে, আদর্শের মৃত্যু নেই’- এ আহ্বানকে সামনে রেখে ‘জাতীয় বীর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ সিরাজুল আলম খান এর স্মরণে এ নাগরিক শোকসভার আয়োজন করা হয়। আজ শনিবার বিকেল ৪টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিক লিয়াকত হোসেন মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নাগরিক শোকসভা কমিটি ফরিদপুর। আবু সাঈদ খান আরও বলেন, সিরাজুল আলম খানের ছিল এক দফা, সেটা হল দেশের স্বাধীনতা। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ হলে সিরাজুল আলম খান নেপথ্যে থেকে এ আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যান। এ জন্যই ছয় দফা জনতার দফায় পরিণত হয়। তিনি নেতা হতে চাননি, অর্থ চাননি, ধনী হতে চাননি। সর্বত্যাগী এ নেতার মৃত্যুতে শোক জানাননি প্রধানমন্ত্রী, শোক জানাননি তোফায়েল। এটা আমাদের জন্য দুঃখ ও কষ্টের। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক শোকসভা কমিটি ফরিদপুর এর আহ্বায়ক মোশায়েদ ঢালী। সভাপতির বক্তব্যে মোশায়েদ ঢালী বলেন, সিরাজুল আলম খানের স্বপ্নের সমাজতন্ত্র আজ সূদূর পরাহত। সকল দলকে আহ্বান জানাই সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক হয়ে কাজ করতে। এ আন্দোলনে যে দল নেতৃত্ব দেবে আমি সেই দলের পতাকাতলে গিয়ে কাজ করতে চাই। আলোচনায় অংশ নেন, সিরাজুল আলম খানের ভাতিজি ফারহা খান, জেলা জাসদ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহিম, ফরিদপুর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি আশোক কুমার সিংহ রায়, বাসদ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার দাস, জেলা জাসদের যুগ্ম সম্পাদক শেখ মুজিবর রহমান, সম্মিলিত সামাজ আন্দোলন ফরিদপুরের সভাপতি আলতাফ হোসেন প্রমুখ
projonmo21.com Popular bangla online newsportal