আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী মোঃ শহিদুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, হরিপুর, ঠাকুরগাঁও-এ ‘অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছি।
গত ১৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে ‘সময় মিডিয়া লিমিটেড’ , ‘ঢাকা পোস্ট’ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আমার ও আমার স্ত্রী কামরুন নাহারকে জড়িয়ে “স্বামী স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকে মামলা দীর্ঘ দিনেও শেষ হয়নি তদন্ত” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। একই সাথে উক্ত সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতিনিধিগণ তাঁদের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে আমাদের অনুমতি ব্যতিরেকে ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেন, যা পরবর্তীতে আমার দৃষ্টিগোচর হয়।
উক্ত ভিত্তিহীন সংবাদের বিষয়ে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য ও প্রতিবাদ নিচে তুলে ধরা হলো:
সাংবাদিকতার মৌলিক নীতিমালা লঙ্ঘন: সংবাদটি প্রকাশের পূর্বে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক বা সংবাদ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমার কিংবা আমার পরিবারের কোনো সদস্যের সাথে যোগাযোগ করা হয়নি এবং কোনো ধরনের বক্তব্য নেওয়া হয়নি। একতরফা মনগড়া তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতিমালার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
পুনরাবৃত্তি ও চরিত্র হনন: ইতোপূর্বেও একই বিষয়ে বারবার বানোয়াট তথ্য ছড়ানো হয়েছে। আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং পেশাগত ও পারিবারিক সম্মান ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুরনো গুঞ্জন পুনরায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চড়ানো হচ্ছে।
সাইবার বুলিং ও মানহানি: আমাদের ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে আমি ও আমার পরিবার চরম মানসিক নির্যাতন এবং সামাজিকভাবে অনলাইন বুলিং-এর শিকার হচ্ছি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অপমানজনক।
আমি উক্ত মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মানহানিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকদের অনুরোধ জানাচ্ছি, অনতিবিলম্বে উক্ত ভিত্তিহীন সংবাদ ও আমাদের ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক মাধ্যম ও নিউজ পোর্টাল থেকে অপসারণ (Remove) করুন। অন্যথায়, আমার পরিবার ও পেশাগত ভাবমূর্তি রক্ষার্থে আমাকে প্রচলিত আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য করাবেন না।
প্রতিবাদকারী:
মোঃ শহিদুল ইসলাম
অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, হরিপুর, ঠাকুরগাঁও।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal