সাইফুল ইসলাম, সালথা (ফরিদপুর)প্রতিনিধি: ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলায় শিলাবৃষ্টি ও ভারীবর্ষণে নিম্নঞ্চলের জমিগুলোতে পেয়াজ ও পিয়াজের কদমে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

বুধবার বিকালে ঝড়ো-হাওয়া, শিলাবৃষ্টি ও ভারীবর্ষণ হয়। এতে অনেকেরই সারা বছরের কষ্টের ফসল পেয়াজ তলিয়ে গেছে পানির নিচে। শিলাবৃষ্টি ও ভারীবর্ষণে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া পেয়াজ সংরক্ষন করতে পারবে না তারা। ঘরে রাখলে পচন ধরবে। সেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। এছাড়া পিয়াজের কদমের ফুলগুলো ঝরে গেছে। এতে পেঁয়াজ চাষ করার সময় পিয়াজের বীজের সংকট দেখা দিবে।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের নিচু জমিগুলোর পানির মধ্যে থেকে টেনে টেনে পেঁয়াজ উত্তোলন করতে দেখা যায় কৃষকদের। এসময় তাদের কপালে দেখা যায় দুশ্চিন্তার ভাঁজ।
উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামের কৃষক মজিবর সরদার, পুঠিয়া গ্রামের ইসাক সরদার ও ভাওয়াল ইউনিয়নের হাসান মাতুব্বর বলেন, প্রতিবছরের কৃষিপণ্য পাট ও পেয়াজ দিয়েই চলে আমাদের সংসার। এবছরের পেয়াজের দাম কম থাকায় মুশকিলে আছি। তারপর আবার প্রচুর শিলাবৃষ্টিতে পেয়াজ তলিয়ে গেলো। তাড়াহুড়া করে যতদূর পারা যায়, ততদূর পারি পানি থেকে পেয়াজ ওঠাচ্ছি। কিছু পেয়াজ জমিতে থাইকা যাবে। তারপর যে পেয়াজ উঠাচ্ছি, তা ঘরে রাখা যাবে না, পঁচে যাবে। কম দামেই বিক্রি করা লাগবে। সব মিলিয়ে আমাদের বড় ক্ষতি হয়ে গেলো। তবে এই মুহুর্তে দাম যদি ভালো পেতাম তাহলে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসতো।
উপজেলা কৃষি অফিসার জীবাংশু দাস বলেন, বৃষ্টিতে নিচু এলাকার জমিতে হালকা পানি জমে গেছে কোথাও কোথাও। যে পেঁয়াজগুলো তোলার সময় হয়নি, সেগুলো আর বড় হবে না। এছাড়া এখন তুললেও সংরক্ষণকাল কমবে। তবে সমতল জমির পেয়াজ এখনও ভালো আছে।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal