নীলফামারী প্রতিনিধি
নীলফামারীর জলঢাকায় প্রথম স্ত্রী কর্তৃক সাজানো নাটক, যৌতুক ও শারীরিক নির্যাতনের কাল্পনিক অভিযোগ এবং ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন মানবাধিকার কর্মী আল আমিন ইসলাম।
১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ শেষ বিকালে উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নেকবক্ত কুটিপাড়া এলাকার নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
তিনি এই প্রতিবাদ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আল আমিন ইসলাম বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একজন মানবাধিকার হিসেবে সততার সাথে কাজ করে আসছেন। কিন্তু একটি চক্র তার পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র, চরিত্রহনন ও মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে সমাজে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, গত ১৮ অক্টোবর তার প্রথম স্ত্রী নাজমিন নাহার এবং তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে একটি ভিত্তিহীন সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তার বিরুদ্ধে যৌতুক ও শারীরিক নির্যাতনের সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়, যা বাস্তবতা বিবর্জিত ও বানোয়াট।
প্রকৃত ঘটনা উল্লেখ করে তিনি জানান, তার প্রথম স্ত্রী নাজমিন নাহার দীর্ঘদিন ধরে তার পারিবারিক সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন।
পরবর্তীতে পারিবারিক সম্মতিতে আল আমিন ইসলাম আঞ্জুয়ারা বেগম কে দ্বিতীয় বিবাহ করলে প্রথম স্ত্রী ঈর্ষান্বিত হয়ে ওঠেন। এরপর প্রথম স্ত্রী ও তার পরিবারের লোকজন কৌশলে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গাছের সাথে বেঁধে অমানবিক ও পৈশাচিক নির্যাতন চালায়। পরবর্তীতে স্থানীয় পুলিশ আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এই ঘটনায়
নীলফামারীতে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আমার প্রথম স্ত্রী নাজমিন নাহার সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
আল আমিন ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আদালতে বিচারাধীন এই নির্যাতন মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এবং নিজেদের অপরাধ ঢাকতেই প্রথম স্ত্রী ও তার পরিবার মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের আশ্রয় নিয়েছে। এছাড়া কিছু ভুঁইফোড় অনলাইন সংবাদকর্মী এই পারিবারিক সংঘাতের সুযোগ নিয়ে তার কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে এবং চাঁদা না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে ‘ক্যাসিনো জুয়াড়ী’ ও ‘নির্যাতনকারী’ আখ্যা দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই চাঁদাবাজ ও মানহানিকারীদের বিরুদ্ধেও তিনি আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানান।
সংবাদ সম্মেলন থেকে আল আমিন ইসলাম সাংবাদিকদের নিকট এই মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত সত্য গণমাধ্যমে তুলে ধরার অনুরোধ জানান। একই সাথে তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রীর ওপর অমানবিক নির্যাতনকারীদের উপযুক্ত শাস্তি এবং সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি ও সাইবার মানহানি করা চক্রের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal