হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান, নীলফামারী প্রতিনিধি
হিন্দু পুরান অনুযায়ী তিস্তা নদী দেবী পার্বতীর কাছ থেকে উৎপন্ন। তিস্তা নামটি এসেছে ত্রি-সেতারা বা তিন প্রবাহ থেকে । সিকিম হিমালয়ের ৭ হাজার ২ শত মিটার উচ্চতায় অবস্থিত চিতাম্বু হ্রদ থেকে তিস্তা নদীর সৃষ্টি। ভারত থেকে বয়ে আসা তিস্তা নদী নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খড়িবাড়ী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। খরস্রোতা তিস্তা নদী জলঢাকা
উপজেলার চারটি ইউনিয়নের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ভিতর দিয়ে রাজার হাট উপজেলায় চলে গেছে।
তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ড্রেজিং না করার ফলে বন্যার আশংকা দেখা দেওয়ায় তিস্তার পারের ২৫ কিলোমিটার এলাকার গ্রামগুলো ও গ্রাম রক্ষা বাধে দেখা দিয়েছে ভাঙ্গন ফলে মানচিত্র থেকে তিস্তার নাম মুছে যেতে বসেছে।
তিস্তার পানির নায্য হিস্যা আদায়ের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত না হওয়ায় এবং স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত ড্রেজিং না করায় নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে নদী পারের এলাকায় ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার সরেজমিনে শৌলমারী ইউনিয়নের বানপাড়া বড়বাধ তিস্তা পারের এলাকায় গিয়ে দেখা যায় তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তার পারের চরভরট বড় বাধ এলাকায় বাধ সহ বাড়ী ঘর গাছ বাশ গাছ ভেঙ্গে সব হারিয়ে অসহায় হয়ে পরেছে মানুষ। মাথাগুযার ঠাই না পেয়ে অন্যের বাড়ীতে থাকছেন। এদিকে গ্রাম রক্ষা বাধে ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় আতংকের মধ্যে আছে মানুষ। এলাকাবাসী মোস্তফা জানান গতি দশদিন আগে হটাৎ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি না কমে আরও পানি বৃদ্ধি পেয়ে বাধে ভাঙ্গনের দেখা দিয়েছে।
কামাল বলেন এখানে মানুষের বাড়ি হুমকির মুখে পরেছে ও অনেক বাড়ী ভেঙ্গে গেছে পানির স্রোতে। বড় বাধ এলাকার আলম জানান নদীতে আজ ১০ /১৫ দিন হচ্ছে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কিন্তু কেউ সাহায্য সহযোগিতা করেনি। আমরা নদীতে সব হারিয়ে অসহায় ও আতংকের মধ্যে দিনা তিপাত করছি। কাদের জানান নদীতে ড্রেজিং না করার ফলে নাব্যতা হারিয়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে নদীতে ড্রেজিং করে নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার দাবী জানান।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরী ভিত্তিতে ভাঙ্গন এলাকায় জিও ব্যাগে বালু ভরে তা ফেলে রক্ষার চেষ্টা করছে।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal