নীলফামারী প্রতিনিধি
ভারি বৃষ্টি ও ভারতের পাহাড়ি ঢলে আবারও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে তিস্তার চরাঞ্চলের ফসলি জমি।
রবিবার ২৮শে জুন নীলফামারীর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান সন্ধ্যা ৬টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর (৫২ দশমিক ২২) দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে ভুটান ও সিকিম পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির ঢলে তিস্তা নদী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দো-মহনী ও মেখলিগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমা ছাড়িয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় উভয় দেশের তিস্তা এলাকায় লাল সতর্কতা জাড়ির খবর পাওয়া গেছে।
এতে তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়া ও বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে।
এর মধ্যে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী,কৈমারী ইউনিয়ন এবং ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ শুরু করছে। জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান জামান জানান হটাৎ তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাঙ্গনের আশংকায় করছে এলাকাবাসী। আমরা ভঙ্গন ও বন্যা মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
ডিমলা টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, “আমরা সতর্কতার মধ্যে রয়েছি ও তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। নদীর আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের যে কোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া সমস্ত পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রেখেছে প্রশাসন।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal