সর্বশেষ :
Home / সারাদেশ / কালীগঞ্জে ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কালীগঞ্জে ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

 

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জে ইমাম, খতিব ও আলেমদের নিয়ে ওলামা মাশায়েখ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার ওলামা মাশায়েখ পরিষদের উদ্যোগে সরকারি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ মাঠে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার ওলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা যাকারিয়া হোসাইন বিন কবিরের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলেকদ্বীন ও শিক্ষাবিদ তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীন। সম্মেলনে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও গাজীপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির, গাজীপুর-৫ সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. খায়রুল হাসান।

কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার ওলামা মাশায়েখ পরিষদের সাধারন সম্পাদক মুফতি আলী আহসান মুজাহিদ এর পরিচালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর মহানগর ওলামা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ছাইদুল হক, গাজীপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির মাওলানা সেফাউল হক, কামড়া মাশক ফাজিল মাদরাসার উপাধ্যক্ষ মাওলানা জাকারিয়া।

এই সময় বক্তব্য রাখেন, কালীগঞ্জ কেন্দ্রীয় বাজার মদিনাতুল মনোয়ারা জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা ফেরদৌস খান সালেহী, বাঘুন মাদরাসার অধ্যক্ষ তৈয়বুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আবু হানিফ, হেফাজত ইসলাম কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা খোরশেদ আলম, খেলাফত মজলিস উপজেলা শাখার সভাপতি রুহুল আমিন গাজীপুরী, কালীগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির হাজী আফতাব উদ্দিন, পূবাইল থানা জামায়াতে ইসলামীর আমির আশরাফ আলী কাজল, আজমতপুর জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আব্দুল হান্নান বেলালী প্রমুখ।

প্রধান অতিথি সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা যাইনুল আবেদীন বলেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে ইসলামের জন্য কাজ করতে হবে। কারো ধোঁকায় ঐক্য নষ্ট করা যাবে না। সুযোগে এসেছে সামনে সুদিন তাই ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করবো। জালেম দূর করতে ওলামা ছাড়া কেউ এতো রক্ত দেইনি। আলেম ওলামাদের মাঠে ময়দানে টিকে থাকতে হবে। সন্তানদের কোরআন ও হাদিসে শিক্ষা দিতে হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে শিক্ষা দেয়া সম্ভব।

প্রধান আলোচক মো. খায়রুল হাসান বলেন, আগে আলেম মাশায়াখদের নিয়ে প্রোগ্রাম করার সুযোগ ছিল না। আলেমদের ধরে নিয়ে যেতো জেল-জুলুম নির্যাতন করা হতো। এবার সুযোগ হয়েছে ভয়হীনভাবে সভা-সমাবেশ করার। ইসলামের বিজয় হলে সকল ধর্মের লোকের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হবে। কোনো আলেম ওলামারা নির্যানের শিকার হলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!