সর্বশেষ :
Home / সারাদেশ / জলঢাকায় দোকানপাট ও যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বাড়েনি রাস্তার প্রশস্ততা

জলঢাকায় দোকানপাট ও যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বাড়েনি রাস্তার প্রশস্ততা

 

 

মোঃ হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান জলঢাকা

নীলফামারী প্রতিনিধি

 

দেশ স্বাধীনের পর বর্তমান সময় পর্যন্ত সকল সরকারের সময় বৈষম্যের শিকার নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা ও পৌর শহর। বৈষম্যের একটি বড় উদাহরণ

জলঢাকা উপজেলার রাস্তাঘাট। পৌর ও উপজেলার এলাকার প্রায়ই রাস্তা চলাচলের অযোগ্য প্রশস্ত কম হওয়ার কারনে।

। বিগত বছরগুলোতে এইসব কাঁচা, পাকা রাস্তা প্রশস্ততা দূরের কথা সংস্কারই ঠিকমতো হয়নি।

রবিবার নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা ও পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা যায় পৌর শহরের

ব্যাস্ততম এলাকা হচ্ছে শহরের প্রাণকেন্দ্র জিরো পয়েন্ট মোড় এখানে বাজার, মার্কেট এলাকা। এখান থেকে ট্রাফিক মোড় হয়ে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত, জিরো পয়েন্ট হতে উপজেলা ও ডালিয়া সড়ক, দিনের বেশিরভাগ সময় যানজট লেগে থাকে।

যার একটি বড় কারণ, বছরে বছরে মানুষ ও যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও প্রশস্ত হয়নি জলঢাকা উপজেলা ও পৌর শহরের সড়কগুলে। আর মরার উপর খারার ঘা হয়ে আছে ফুটপাত দখল করে মালামাল রাখা গড়ে ওঠা দোকানগুলো। ড্রেনগুলোর বেহাল দশা। এ যেন সেই ৯০ দশকের সড়কের চিত্র। শহরের প্রাণকেন্দ্র জিরো পয়েন্ট মোড় সংলগ্ন উপজেলা সড়ক সহ বিভিন্ন এলাকায় সময়ের সাথে সাথে দোকান ও যানবাহন সংখ্যা বাড়লেও উন্নয়ন হয়নি কাচাঁ ওপাকা সড়কের ।

শুধু তাই নয় পৌর শহরের বিভিন্ন রাস্তায় রিকশা, ভ্যান চলাচল করাও দায় হয়ে পড়েছে।

জলঢাকা পৌরসভার ২৮.২২ বর্গ কিলোমিটার সড়কের বেশ কিছু সড়ক কাঁচা।এছাড়া ,মোট সড়কের বেশির ভাগ পাকা থাকলেও তার বেশ কিছু এলাকায় খানা-খন্দে ভরা, এমনকি পৌরসভার অধিকাংশ সড়কের ইট, বালু,খোয়া ও কার্পেটিং উঠে গিয়ে জনদুর্ভোগে পরিণত হয়েছে ।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, জলঢাকা পৌরসভা ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর ২০২৩ সালে

প্রথম শ্রেনীতে রুপান্তর হওয়া

এ পৌরসভার ৮১ ৩৮৫ জন জনসংখ্যার মধ্যে পুরুষ ৪০২৮০,মহিলা ৪১,১০৫ জন ও

৯ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ পৌরসভা ২৮.২২ বর্গ কিলোমিটার আয়তনে হলেও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় অন্যান্য পৌরসভার মতোই সরকারী বরাদ্দ পায়।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন কেন এমন বিমাতা সুলভ আচরণ জলঢাকা বাসীর জন্য?

শহরবাসীর দাবি,ভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক দল জলঢাকাতে জনপ্রিয় হওয়ায় বিগত বছর যাবৎ বৈষম্যের শিকার হয়েছেন জলঢাকাবাসী। তাই যানজট নিরশনে সড়কগুলো প্রশস্ত করা সহ আধুনিক বাসস্ট্যান্ড করার দাবী জানান।

বাস চালক আমিনুর জানান সেই ছোট বেলা থেকে দেখছি জলঢাকার সড়ক যেমন ছিল তেমনই আছে। তাই বর্তমান সড়কের অবস্থায় আমাদের গাড়ি চালাতে কষ্ট হয়।তাই সড়কের দুই পাশে প্রশস্ত করার দাবী জানান।

পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের পন্থাপাড়া কাজিরহাট এলাকার বাসিন্দা আবেদ আলী জানান ছোট বেলা থেকে শুনে আসছি জলঢাকার সড়ক বড় হবে। কিন্তু বর্তমান সময়ে এসে সড়ক আর বড় হয় না। কবে যে বড় হবে। আল্লাহ জানেন। এদিকে

সরকার আসে সরকার যায় কিন্ত সড়ক আর প্রশস্ত হয় না। আর নির্বাচন এলে প্রার্থীরা সড়ক উন্নয়ন করা সহ বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষে আর খবর কেউ নেয় না।তাই জলঢাকার যানজট কমাতে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রশস্ত করার দাবী জানান। অটেরিক্সা চালক মানিক জানান রাস্তা ছোট হওয়ার কারনে যানজট লেগে থাকে। রাস্তাগুলো আর একটু বড় হলে ভালো হতো। অটো ভ্যান চালক খাতিমুর বলেন মানুষ বাড়ছে রাস্তা আর বৃদ্ধি ও বড় হয় না হওয়ায় যানজট লেগে থাকে। তাই যানজট নিরসনে রাস্তা বড় ও বৃদ্ধি করতে হবে।

জিরো পয়েন্ট মোড়ে এলাকার ব্যবসায়ী সুমন আজাদ বলেন, বড় শহরের সড়ক গুলোতে মানুষ যাতায়াত করতে ভোগান্তিতে পড়েন।বিশেষ করর ইজিবাইক জটতো সব সময়ই লেগে থাকে। সড়কের প্রশস্ত কম ১লাইনের হওয়ায় সড়কের উপর ইজিবাইকগুলো ইচ্ছে মতো দাড় করিয়ে রাখার কারনে যানজট লেগে থাকে। এ সবের প্রতিবাদ করলে মারামারির ঘটনা ঘটে।

উপজেলা সড়কের বাসিন্দা ডলার জানান এক সময় সড়ক সরু ও বাজার ছোট ছিল। এখন সময় বদলেছে এই সড়ক সমুহ আরও প্রশস্ত করা সহ বাইপাস সড়ক নির্মান করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!