সর্বশেষ :
;
Home / সারাদেশ / জলঢাকায় কাচা সড়কটি পাকা না করায় জনদুর্ভোগ

জলঢাকায় কাচা সড়কটি পাকা না করায় জনদুর্ভোগ

 

 

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান,

,নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি

 

একটি পাকা সড়কের জন্য প্রায় অর্ধশত বছর ধরে অপেক্ষা করেও আশা পুরন হচ্ছে না নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল ও চেংমারী বড়ঘাট গ্রামের প্রায় ছয় হাজার মানুষের। এলাকাবাসীর দাবী চেংমারী বড়ঘাটের মাঝা পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে বুল্লাই গাবরোল পাঁচমাথা তেতুঁলতলা হয়ে তিন কদম কৈমারী সড়কের উচা ব্রীজ পর্যন্ত চার কিলোমিটার কাচা সড়কটি পাকা না করায় শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালী, বর্ষা মৌসুমে কাঁদার কারনে চলাচল কৃষি পন্য বাজার জাত করন, উৎপাদন, সহ অন্যান্ন মালামাল পরিবহনের সময় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

সোমবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের চেংমারী বড়ঘাট মাঝা পাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে বুল্লাই, গাবরোল পাঁচ মাথা তেতুঁলতলা বসুনিয়া পাড়া এলাকার জনগনের চার কিলোমিটার কাঁচা সড়কটি বড়ঘাট, জলঢাকা,রংপুর নীলফামারীর সাথে সহজ যোগাযোগের একমাত্র সড়ক এটি।

সড়কটিতে বর্তমান শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি এলাকার

সাবেক সাংসদ কাজী ফারুক কাদের এ-র সময়ে সড়কটি পাকা করনের উদ্দ্যোগ গ্রহন করা হলেও তা পরবর্তীতে আরও বাস্তবায়ন করা হয়নি।সড়কটি পাকা না করার ফলে ধুলাবালি ও দুই পার্শে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে ।

ধুলাবালির ও কাদার কারনে সকল প্রকার যানবাহন, রিক্সা ভ্যান,মাইক্রোবাস,কৃষি পন্য বাজারে নেওয়া, উৎপাদিত পান্য বাজার জাত করনে,,আলু তামাক,ধান পাট,শাক সবজি সহ বিভিন্ন পন্য গোডাউনে, হিমাগারে রাখা, আনা নেয়া সহ , ও জনগণের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আরও এসব পন্য বড়ঘাটের হিমাগার,গোডাউন, বাজারে, রংপুর,নীলফামারী নিতে গাবরোল থেকে ছয় কিলোমিটার ঘুরে তিন কদম কাজরির হাট,আমরুল বাড়ী হয়ে যেতে হয় বড়ঘাটে। আরও এ-ই সড়কটি পাকা হলে জনগনের ভাগ্য পরিবর্তন হবে ও উন্নয়ন উন্নতি হবে। সড়কটি পাকা হবে কিনা কেউ জানে না।

গাবরোল টগড়ার বাজার ব্যাবসায়ী নিত্যান্দ রায় (২৪) এ প্রতিবেদককে জানান সড়কটি পাকা হলে কৃষকের ভাগ্যের চাকা ঘুড়ে দাঁড়াবে। গাবরোল পাচ মাথা এলাকার বাসিন্দা আব্দুস সোবহান (৪৭) বলেন সরকার আসে সরকার যায় কেউ এ-ই সড়ক টির দিকে তাকায় না। সকল প্রকার নির্বাচন এলে প্রার্থীরা সকলে আশ্বাস দেন সড়কটি পাকা করার আর নির্বাচিত হলে সবকিছু ভুলে যান। ফলে সড়কটিকে আরও পাকা হয় না।

গাবরোল ওয়ার্ডের সাবেক ইউনিয়ন সদস্য আব্দুল গফুর (৫৬)বলেন,আমি ছোট বেলা থেকে শুনে আসছি সড়কটি পাকা হবে কিন্তু আরও হয় না,কবে যে হবে তাও জানিনা । উক্ত এলাকার বর্তমান ইউনিয়ন সদস্য ডালিম চন্দ্র রায় (৩০) জানান আমি ইউনিয়ন, উপজেলা পরিষদ সহ সাবেক সাংসদের কাছেও আবেদন করেছিলাম কিন্তু আশ্বাস দেন সবাই কাজ হয়নি আরও বর্তমান সাংসদ সোহেল রানা ঢাকায় থাকার কারনে দেখা না পাওয়ায় বলতে পারছি না তাকে বিষয়টি। তবে আমি চেষ্টায় আছি ও কোন ত্রুটি করছিনা। তবে সাবেক সাংসদ কাজী ফারুক কাদের এ-র সময়ে এ-ই সড়কের উন্নয়ন ফাইল এলজি ই ডির সড়ক উন্নয়নের ১ নং সিরিয়ালে ছিল। পরবর্তী সাংসদ গোলাম মোস্তফা আশ্বাস দিয়েছিলেন তবে করেন নি। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী সহ সহকারী প্রকৌশলীরা বলেন এ-ই সড়ক টির কোন ফাইল আমাদের কাছে নাই। আরও কোন সড়কের উন্নয়ন, পাকা,মেরামত, সংস্কার

হবে সেটা সাংসদের ব্যাপার।আমাদের তিনি যে সড়কের তালিকা দেন আমরা সেটা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠাই সেই অনুযায়ী কাজ করি আমরা তাই আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ না করে সরকারে উপরের মহল ও সাংসদের সাথে যোগাযোগ করেন তাহলে কাজ হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!
;