সর্বশেষ :
Home / সারাদেশ / কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মেহেদী হাসান

কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে মেহেদী হাসান

 

কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি

আসন্ন কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যেই সব প্রার্থীদের নাম শোনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে জনবান্ধব ও জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন অ্যাডভোকেট আশরাফী মেহেদী হাসান। পরিচ্ছন্ন রাজনীতি ব্যক্তি মেহেদী হাসান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনী তফশিল ঘোষণার আগে থেকে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করবেন বলে তাঁর কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আলোচনা চলতে থাকে। এরই মধ্যে স্বচ্ছ নেতা ও তুখোড় বক্তা অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান প্রতিদিন তাঁর কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বাজার ও চায়ের দোকানে গিয়ে সাধারন ভোটারদের সাথে সালাম ও কুশল বিনিময় করে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন। পাশাপাশি কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে কর্মিসভা করে সকলের কাছে সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করছেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা, রাজনীতি ব্যক্তিত্ব , স্পষ্ঠভাষী ও পরোপকারী হিসেবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অন্যান্য প্রার্থীদের চেয়ে জনবান্ধব নেতার পরিচয়ে এগিয়ে রয়েছেন মেহেদী হাসান এমন অভিমত তাঁর কর্মী ও সমর্থকদের। জেলা ও উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের সম্মতিতে এবং তৃণমূল নেতাকর্মীদের উৎসাহ পেয়ে তিনি কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নিচ্ছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা যায়। কর্মীবান্ধব নেতা মেহেদী হাসান এরই মধ্যে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আয়োজনে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত হয়ে সাধারন ভোটারদের নিকট ভোট চেয়ে ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ড ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

তাঁর কর্মী ও সমর্থকদের কাছ থেকে জানা যায়, আশরাফী মেহেদী হাসান ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়। তিনি কালীগঞ্জ শ্রমিক কলেজ শাখার ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি ছাত্র রাজনীতিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও যুগ্ম সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি তিনি বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় আওয়ামীলীগের সকল কর্মকান্ডে সক্রিয় থেকে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে চালিয়ে যান। অ্যাডভোকেট আশরাফী মেহেদী হাসান কালীগঞ্জ পৌরসভার বাঙ্গালহাওয়া-দুর্বাটি গ্রামের মরহুম আশরাফী আব্দুল গণির সর্বকনিষ্ঠ সন্তান। তিনি বর্তমানে গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে কর্তব্য ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ইতিপূর্বে তিনি গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২৩ সালে ১৫ ফেব্রæয়ারি গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের নবনির্বাচিত কমিটিতে তাকে পুনরায় গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত করা হয়।

অ্যাডভোকেট আশরাফী মেহেদী হাসান ২০০৯ সনে কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। সে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি আইন পেশায় জড়িত। তাছাড়া তিনি দৃষ্টি সাংস্কৃতিক সংগঠনের সভাপতি মন্ডলির সদস্য হিসেবে দায়িত্বে আছেন। তিনি বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদে দায়িত্বে রয়েছেন। ঘাতক দালাল নির্মূল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন জাতীয় সমন্বয় কমিটির কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক বিভিন্ন কর্মকান্ডে যুক্ত রয়েছেন। তিনি দুর্বাটি মদিনাতুল উলুম আলিয়া মাদ্রাসার পরিচালনা পরিষদের সহ-সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বংশ পরম্পরায় আওয়ামীলীগের রাজনীতি পরিবারের সন্তান। তাঁর চাচা মরহুম অ্যাডভোকেট আব্দুস সবুর আশরাফী কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। বাংলাদেশের প্রথম এর্টনি জেনারেল ও সংবিধান রচয়িতা কমিটির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট ফকির শাহাবুদ্দিন আহমেদের ভাগিনা অ্যাডভোকেট আশরাফী মেহেদী হাসান। তিনির মামা ১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিলেন। তাঁর শ্বশুর মরহুম আকবর হোসেন ছিলেন সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সময় থেকে আওয়ামীলীগের সাথে সংশ্লিষ্ট। ১৯৬৫ Ñ১৯৭০ সাল পর্যন্ত মেহেদী হাসানের শ্বশুর আকবর হোসেন স্বাধীনতা পূর্ব সাতক্ষীরা মহকুমা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন।

কালীগঞ্জ উপজেলা পরিষদকে স্মার্ট পরিষদ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাবেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আশরাফী মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, নারী সমাজকে সমাজে আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। যুবসমাজকে জনশক্তিতে পরিণত করতে সকল উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুব সমাজকে খেলাধুলায় মনোনিবেশ করা হবে। এছাড়া বয়স্কর ভাতা, বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন ভাতা উপযোগীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেয়ে যাবেন। এলাকায় শিল্পকারখানা গড়তে উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে। জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবো ইন্নশাল্লাহ।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!