শাহাদাত হোসেন নোবেল, খুলনা প্রতিনিধি।
সকাল ১০টায় ঝিনাইদহ থেকে রোড মার্চ শুরু হয়। মাগুরা, যশোর জেলার ১৬০ কিলোমিটার সড়ক ঘুরে শেষ হয় খুলনা নগরীর জিয়া হল চত্বরে। সেখানেই সমাপনী সমাবেশ হয়। এই সমাবেশকে ঘিরে অতীতের সবচেয়ে বড় জমায়েতের রূপ নিয়েছে।
বিএনপি নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোড মার্চ ঘোষণার পর থেকে সফলতার সঙ্গে কর্মসূচি পালন নিয়ে সংশয়ে ছিলেন তারা। বিশেষ করে, জিয়া হল চত্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সমাবেশের অনুমতি, বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বিপুল সংখ্যক গাড়ি নিরাপদে পার্কিংয়ে স্থান নিয়ে দুঃশ্চিন্তা ছিলো। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো বাধায় পড়তে হয়নি বলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন বিএনপি নেতারা।
মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা বলেন, অতীতে সমাবেশের কর্মসূচি দিলেই ধরপাকড় শুরু হতো। এখন পর্যন্ত কাউকে আটকের অভিযোগ আমরা পাইনি। এটা স্বস্তির। তবে বিভিন্ন জেলায় রোড মার্চের গাড়িবহরে হামলা হওয়ায় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, রোড মার্চ কর্মসূচিকে উৎসবমুখর এবং জনসম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নগরীর প্রবেশপথে ২০০টি তোরণ নির্মাণ, সড়কে আলোকসজ্জা ছাড়াও সড়ক এবং সড়কদ্বীপে ফেস্টুন লাগানো হয়েছে। গত কয়েকদিন নগরীতে লিফলেট বিতরণের কাজ চলেছে। তার দাবি, খুলনায় রোড মার্চের সমাপনী সমাবেশে পাঁচ লাখ লোক জমায়েত হবে।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal