নিজস্ব প্রতিবেদক:
“খনিজ জালানির ব্যবহার বন্ধ করুন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার নিশ্চিত করুন “এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কালিয়াকৈর পৌরসভার পরিবেশ উন্নয়নে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা , বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার হলরুমে সবুজ আন্দোলন কালিয়াকৈর উপজেলা শাখার আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি , চতুর্থ প্রতিষ্টাবার্ষিকী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র মজিবুর রহমান, কালিয়াকৈর প্রেসক্লাবের সভাপতি আইয়ুব রানা, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক ও সাংবাদিক কবি এম তুষারী, পৌর কাউন্সিলর আব্দুল কুদ্দুস, পৌর মহিলা কাউন্সিলর শাহানাজ বেগম,মানবাধিকার কমিশনের গাজীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এরশাদ হোসেন , পৌর কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম,সহ প্রমূখ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্য বৃন্দ।
পরিবেশ বিপর্যয়ে রোধে ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সারা দেশে প্রায় ৮০ হাজার সদস্য নিয়ে কাজ করছে এই পরিবেশ রক্ষায় সামাজিক সংগঠন সবুজ আন্দোলন।এই সবুজ আন্দোলনের সদস্যরা সারাদেশে প্রতিবছর ফলজ, বনজ ঔষধী সহ বিভিন্ন জাতের গাছের চারা রোপণ করে থাকেন। দেশের পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় সবুজ আন্দোলনের একমাত্র লক্ষ্য।
এছাড়া জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্থ রাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘ ও শিল্পোন্নত দায়ী রাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশের পক্ষে ক্ষতিপূরণের ৭দফা দাবিতে অনতিবিলম্বে সারা পৃথিবীর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ বন্ধ করা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে অর্ধেক ও ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণ শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে হবে । বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সেক্টরে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিতে শিল্পোন্নত দায়ী রাষ্ট্রকে বাধ্য করা । সোলার সিস্টেম এবং দেশের সমুদ্র উপকূল ও নদীর পাড় সমূহে উইন্ড পাওয়ার প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহযোগিতা করা ।
বাংলাদেশে সমুদ্র উপকূল ও বড় নদীর পাড় জুড়ে নেদারল্যান্ড এর মত বেড়ীবাঁধ নির্মান এবং মিঠাপানি সংরক্ষণের জন্য নদী ও দিঘী খনন করতে অর্থ বরাদ্দ দিতে দায়ী রাষ্ট্রকে বাধ্য করা । সুন্দরবনের আশেপাশে সকল ধরনের স্থাপনা উচ্ছেদ করা এবং আগামীতে যেন কোন স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে তার জন্য আন্তর্জাতিক ভাবে আইন পাশ করতে হবে । সারাদেশে সামাজিক বনায়নে অর্থ দিতে দায়ী রাষ্ট্রকে উৎসাহ প্রদান করতে হবে । জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সম্ভাব্য কোটি বাস্তুহারা মানুষের পুনর্বাসন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে দায়ী রাষ্ট্রকে উৎসাহ দেওয়া । ড বায়ু , পানি ও মাটি দূষণ রোধে বাংলাদেশ সরকারকে কারিগরি সহায়তা ও পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিতে দায়ী রাষ্ট্রকে উৎসাহ দেওয়া । প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশন , জেলা শহর ও পৌর ,ইউনিয়ন এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শিল্পাঞ্চল এলাকার বর্জ্য অপসারণ , ই – বর্জ্য রাখার জন্য প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে ড্যামপিং স্টেশন নির্মাণ করা এবং বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দায়ী রাষ্ট্রকে অর্থ বরাদ্দ দিতে উৎসাহ প্রদান করতে হবে । বিষয় গুলো নিয়েও কাজ করছে সামাজিক সংগঠন সবুজ আন্দোলন।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal