হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান, নীলফামারী, প্রতিনিধি
নীলফামারীর জলঢাকায় প্রিপেইড মিটার স্থাপনে লুজ কানেকশনে অগ্নিকান্ডে ছয় পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই।
অসহায় দিনমজুর পরিবার আজ সম্পূর্ণ নিঃস্ব—দায়ভার নেবে কে?
ঘটনাটি শুক্রবার সকালে জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের বড়ঘাট চেংমারী বটতলা এলাকায় প্রিপেইড মিটার স্থাপনের চরম অবহেলা ও ‘লুজ কানেকশন’-এর কারণে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দরিদ্র পরিবারের ঘরবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আগুনে পুড়ে যাওয়া নিঃস্ব হওয়া ব্যাক্তিরা হলেন
মনসুর, মনোয়ার, মিলন, মিন্টু, মিনারুল। এই ছয় পরিবারের সকলেই দিনমজুর। কেউ রিকশা ও ভ্যান চালিয়ে এবং —শহর-গ্রাম ঘুরে দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ তারা।
অভিযোগ উঠেছে—বিদ্যুৎ বিভাগের কাজ করা ঠিকাদারি কোম্পানি যথাযথ নিরাপত্তা বিধান না করেই এলাকায় প্রিপেইড মিটার স্থাপন করছিল। অসাবধানতা, নিম্নমানের তার কাজ করে লুজ কানেকশনের কারণে হঠাৎ বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই জ্বলে যায় ছয়টি ঘর। এ ঘটনায় পরিবারগুলো পরনের কাপর ছাড়া আর কোন কিছু রক্ষা করতে পারেনি।
ভ্যানচালক মিন্টু আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা গরিব মানুষ— রিক্সা ভ্যান ও মানুষের জমিনে কাজ করে
যা কিছু কষ্ট করে করেছিলাম তা সবই শেষ এই আগুনে ।
আগুন লাগার কারণ তো বিদ্যুতের ওই মিটার কোম্পানির কাজ। এখন আমাদের ক্ষতি কে পূরণ করবে?”
এলাকাবাসীর প্রশ্ন—সরকারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বা বিদ্যুৎ বিভাগ কি এ দায় এড়াতে পারে? গরিব মানুষের মাথা গুজার ঠাই টুকু পুড়িয়ে কে নেবে এই বিপর্যয়ের দায়?
ভুক্তভোগী পরিবারগুলো দ্রুত তদন্ত, যথাযথ ক্ষতিপূরণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং জনগণ প্রিপেইড মিটার স্থাপনের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal