নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্ম-২১
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এলাকায় ১৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। একটি পক্ষ ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ নিয়ে বুধবার বিকেলে গাজীপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঘটনাটির তদন্ত সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।
গাজীপুর জেলা পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকায় ১৩ বছরের একটি শিশু ধর্ষন ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার তদন্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানামুখী সমালোচনা হচ্ছে। জেলা পুলিশ, গাজীপুর এই মর্মে সবাইকে আশ্বস্ত করছে যে, মামলা রুজু থেকে এ পর্যন্ত তদন্ত কাজ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইন ও বিধি মোতাবেক করা হচ্ছে।
অভিযুক্তদেরকে মামলা থেকে রেহাই দেওয়া বা মামলায় গুরুত্ব না দেওয়া এ জাতীয় যে সকল অভিযোগ উত্থাপন করা হচ্ছে তার কোন বাস্তব ভিত্তি নাই। মামলার বস্তুগত ও পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য যথাযথভাবে সংগ্রহপূর্বক দ্রুত তদন্ত নিষ্পত্তির কাজ এগিয়ে চলছে। প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ, গাজীপুর পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে।
গাজীপুর পুলিশ সুপার চৌধুরী মো যাবের সাদেক সাংবাদিকদের বলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মামলাটি নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজব না ছড়ানোর জন্য সবাইকে অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে তদন্তে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।
উল্লে্য -গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক কিশোরীকে অপহরণ পর ধর্ষণের অভিযোগে শিশুর মা বাদী হয়ে প্রায় পৌনে দুই মাস পর মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের পর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ আসামী মামা ভাগ্নেকে গ্রেপ্তার করেছে। ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুরে স্থানীয় মুসল্লিরা বিক্ষোভ করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন জয় কুমার দাস (২০)। তিনি টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার মানোরা এলাকার নিত্য চন্দ্র দাসের ছেলে। অপরজন জয় কুমারের মামা লোকনাথ চন্দ্র দাস (২০)। তিনি একই এলাকার নিতাই চন্দ্র দাসের ছেলে।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal