সর্বশেষ :
;
Home / সারাদেশ / চলাচলের পথে বাঁশের বেড়া, ভোগান্তিতে চার পরিবারের লোকজন 

চলাচলের পথে বাঁশের বেড়া, ভোগান্তিতে চার পরিবারের লোকজন 

 

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রবাস থেকে মেয়ের মোবাইলে আপত্তিকর মেসেজ পাঠানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের কলহের জেরে প্রতিবেশী চার পরিবারের লোকজনের চলাচলের রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে আঁটকিয়ে দিয়েেেছন আলম মিয়া নামে এক ব্যক্তি। ফলে চারটি পরিবারের সদস্যরা কাঁদা পানি মাড়িয়ে বাড়ির পেছন দিক দিয়ে চলাচল করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের অষ্টমুনসিয়া গ্রামে।

এদিকে হুমায়ুন কবির নামে ভুক্তভোগী এক প্রতিবেশী বাড়ির তিন পাশে বেড়া দিয়ে আটকিয়ে পথ বন্ধ করে দেয়ার থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ১৫ দিন ধরে তারা এই ভোগান্তি পোহাচ্ছে বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে অষ্টমুনসিয়া গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে, আলম মিয়া ও তার লোকজন বাদীর বাড়ির তিন পাশে বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়েছেন। এবিষয়ে আলম মিয়া জানান, তার মেয়ের মোবাইল ফোনে হুমায়ুন কবিরের ছেলে সেলিম সিঙ্গাপুর থেকে আপত্তিকর মেসেজ পাঠায়। বিষয়টি গত ২৩ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রী ও মেয়ে সেলিমের পরিবারকে জানাতে গেলে কয়েকজন মিলে তার স্ত্রী ও মেয়েকে মারধর করেছে। এ কারণে তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে তার নিজের জায়গায় বাঁশের বেড়া দিয়েছেন।

হুমায়ুন কবির বলেন, আমার ছেলে সিঙ্গাপুর প্রবাসী। সে বিবাহিত ও তার একটি সন্তান রয়েছে। কে বা কাহারা তার মেয়ের মোবাইলে মেসেজ পাঠায় তা আমাদের জানা নেই। মেসেজ দেখাইতে বলেছি কিন্তু দেখাই না। সেই মেসেজের সূত্রধরে প্রতিনিয়ত আমাদের সাথে ঝগড়া করে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে এ নিয়ে উভয় পবিারের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরদিন সকালে আলম ও তার লোকজন আমাদের বাড়ির তিন পাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচরের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। তারা এখন অনেকটা গৃহবন্দি অবস্থায় আছেন বলে জানান। আলমের স্ত্রীকে মারধরের ঘটনা সত্য নয় বলেও তিনি জানান।

ভাতগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যান আজহারুল ইসলাম বলেন, বেড়া দিয়ে চলাচলের পথ বন্ধ করার খবর পেয়ে একজন মেম্বার পাঠিয়ে আলম মিয়াকে বেড়া খুলে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু বেড়া এখনো খুলে নাই। বিষয়টি অমানবিক বলে জানান তিনি।

অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা মির্জাপুর থানার এসআই রমিজ রায়হান বলেন, এক পক্ষ পূর্ব বিরোধের জের ধরে চলাচলে পথে বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়েছে। এ বিষয়ে উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ করেছে। এজন্য উভয় পক্ষকে থানায় আসার জন্য ডেকেছিলাম কিন্তু তারা আসে নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!
;