জাহাঙ্গীর আলম সবুজ, মেহেরপুর প্রতিনিধি
আগামী ১৭ই অক্টোবর মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান,সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন ১৬ জন প্রার্থী। নির্বাচনী আলোচনায় প্রধান বিষয় হচ্ছে চেয়ারম্যানের পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে।
চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দুই জন প্রার্থী। জয় পরাজয় নির্ধারণের আগ পর্যন্ত আলোচনার শীর্ষে কে হচ্ছেন আগামী ৫ বছরের জন্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান? আব্দুস সালাম না কি গোলাম রসুল?

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রাপ্ত প্রার্থী এ্যাড.আব্দুস সালাম
চেয়ারম্যান পদে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রসুল। তিনি তাঁর দীর্ঘ রাজনীতিক কর্মকাণ্ডকে নির্বাচনী লড়াইয়ে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছেন।
অপরদিকে,গোলাম রসুলকে হারিয়ে ভোটারদের ভোটের মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে আনতে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম। চষে বেড়াচ্ছেন ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন থেকে ইউনিয়ন, এই উপজেলা থেকে ওই উপজেলা । যাচ্ছেন প্রতিটি ভোটারের দারপ্রান্তে।
তবে সাধারণ ভোটারদের মন্তব্য আমরা যোগ্য প্রার্থী কে ভোট প্রদান করবো।
নিজের নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে গোলাম রসুল বলেন, আমি বিগত পাঁচ বছর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেছি। তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি আমাকে পছন্দ করেন। আশা করছি এবারও বিপুল ভোটে বিজয়ের ধারা অব্যাহত থাকবে ইনশাল্লাহ।

বিদ্রোহী প্রার্থী আলহাজ্ব গোলাম রসূলের ছবি
এদিকে নির্বাচনে গোলাম রসুলকে হারাতে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম। তাঁর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশা ব্যক্ত করে অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম বলেন, দলের সকল পর্যায়ের নেতা ও কর্মীরা আমার সাথে রয়েছে। নির্বাচনী প্রচারণায় ভোটারদের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। ভোটাররাও সাড়া দিচ্ছে। আমি বিজয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।
মেহেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু আনছার জানান,চলতি মাসের ১৭ই অক্টোবর মেহেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।তিনটি উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২৯৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।জেলার তিনটি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, দুইটি পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলররা এবং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা ভোটে অংশ নিতে পারবেন। এলাকাবাসী মনে করছেন এই লড়াই টা যেন সেয়ানে সেয়ানে লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal