নিজস্ব প্রতিবেদক
গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে আন্দোলনরত কলেজ ছাত্র হৃদয়কে গুলি করে হত্যার ঘটনার প্রায় এক বছর পরে নিহত ওই কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধারের জন্য গাজীপুর মহানগরীর কড্ডা ব্রিজ এলাকায় তুরাগ নদীতে বৃহস্পতিবার সকালে অভিযান করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।ও আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের উপ¯ি’তিতে তারা এ র্কাযক্রম শুরু করেন ।
নিহত কলেজছাত্র হৃদয় (২০) টাঙ্গাইলের গোপালপুরের আলমগর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে। তিনি হেমনগর ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়তেন। পরিবারের দুই বোন এক ভাইয়ের সংসারে বাবা মার অভাবের সংসারে লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি কোনাবাড়ী এলাকায় অটোরিকশা চালিয়ে জীবীকা নির্বাহ করতেন ।
উদ্ধার অভিযান চলাকালে ঘটনা¯’লে উপ¯ি’ত রয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর এস এম তাসমিরুল ইসলাম, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মাসুদ পারভেজ। উদ্ধার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন তিনি।
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স উপ পরিচালক মোহাম্মদ মামুন জানান, ডুবুরি দলের দল উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
এর আগে, এ ঘটনায় পুলিশের এক কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তার নাম কনস্টেবলের মো. আকরাম হোসেন (২২)।
তিনি গাজীপুর শিল্প পুলিশে কর্মরত ছিলেন। শুক্রবার কিশোরগঞ্জের পারাইল এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
জানা গেছে, ৫ আগস্ট হৃদয় কোনাবাড়ী সড়কে সরকারের বিরুদ্ধে ¯েøাগান দি”িছলেন। এ সময় পুলিশের উপ¯ি’তি দেখে হৃদয় রাস্তার পাশে অব¯’ান নেন। সেখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন শিল্প পুলিশে কিছু সদস্য।তারা হৃদয়কে রাস্তার পাশ থেকে ধরে নিয়ে চড়থাপ্পড় মারেন। একপর্যায়ে পুলিশ গুলি করলে সেখানেই তিনি মারা যান।
এই ঘটনায় হৃদয়ের ফুফাতো ভাই মো. ইব্রাহীম বাদী হয়ে কোনোবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলায় সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে হুকুমের আসামি এবং অজ্ঞাত ২৫০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal