নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন জমে উটেছে কুরবানীর পশুর হাট ।তবে এসব হাটে দেশীয় জাতীয় গরুর পাশাপাশি দেখা গেছে বিদেশী জাতের গরু ।তবে এসব হাট গুলোতে গরুর সংখ্যা বেশি থাকলেও নেই ক্রেতাদের ভীর ।দুর দুরান্ত থেকে গরু নিয়ে আসা গরুর ব্যাপারীরা লাভের চেয়ে মুনাফা হারানোর আশংখ্যা করছেন । উপজলোর ভান্নারা ,রতনপুর, জামালপুর চৌরাস্তা এলাকায় কুরবানীর পশুর হাটে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সারি সারি দেশীয় ও বিদেশী বিভিন্ন জাতের গরুর থাকলেও নেই ক্রেতাদের ভীর ।এদিকে বাজার ব্যাবসায়ীর আয়োজকরা বিক্রেতারা জানান ঈদের যেহেতু ৫ দিন বাকি সেহেতু ক্রেতাদের উপস্থিতি আরো বাড়বে ।এদিকে প্রতিটি হাটে গরু ব্যবসায়ীদের জন্য নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ।
রতনপুর হাটের গরু ব্যাবসায়ী জামিল তরফদার জানান সোমবার রাতে ২২ টি গরু ট্রাকে করে পাবনা থেকে নিয়ে আসেন ।প্রতিটি গরুর মাথা পিছু দাম পড়েছে ২ থেকে আড়াই লক্ষ টাকা ।তবে ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় গরুর দাম কিনা দামের চেয়েও কম বলছেন অন্যান্য ক্রেতারা ।এদিকে যাতায়াত ভাড়া থাকা খাওয়া (গরুর খাবারসহ) আরো খরচ বাড়বে ।তবে নির্দিষ্ট সময়ে গরু বিক্রি করতে না পারলে লাভের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি ।
তবে রতনপুর গরুর হাটের আয়োজকদের পক্ষে খোকন আব্বাস বলেন আমাদের আসে পাশের এলাকাসহ দুর দুরান্ত থেকে গরু নিয়ে আসছেন ব্যাপারীরা ।তাদের নিরাপত্তাসহ থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে ।ক্রেতাদের উপস্থিতি বাড়ছে ।এ হাট চলবে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ।
ভান্নারা বাজার এলাকায় অস্থায়ী পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায় দেশীয় গরুর সারি ।তবে ছাগল, ভেরা এ জাতীয় পশু চোখে পড়েনি ।এখানেও দেখা যায় ক্রেতা শুন্যতা ।তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ক্রেতাদের উপস্থিতি আরো বাড়বে বলে আশা করেন বাজার কমিটির সদস্যরা ।
ভান্নারা বাজারের গরু ব্যবসায়ী তোফাজ্জল মল্লিক বলেন দুইদিন ধরে ১২৩ টি গরু নিয়ে আসছি বিক্রি করতে পেড়েছি ৩ টি ।তবে গতবারের চেয়ে এবার গরুর দাম কম বলছে ক্রেতারা ।এতে করে আামদের প্রতিটি গরুর পিছনে যে খরচ পড়েছে সেটা পোষাতে পারবো কিনা সন্দেহ রয়েছে ।
ভান্নারা বাজার পশু হাটের আহবায়ক হারুন অর রশিদ বলেন এবারে হাটে ছোটে থেকে বড় অনেক দেশীয় গরু উঠেছে ।জেলার বিভিন্ন স্থানে থেকে গরুর বেপারীরা ট্রাক,পিকাআপ ভ্যানে করে গরু নিয়ে আসছেন বাজারে ।এবার হাটে কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা, ও চাদাঁবাজি বন্ধে নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ।এছাড়াও পুলিশের পাশাপাশি যৌথবাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন।
এবারের ঈদে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে স্থায়ী ও অস্থায়ী সহ প্রায় ১২ টি কুরবানীর পশুর হাট বসেছে ।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal