সর্বশেষ :
;
Home / সারাদেশ / জলঢাকায় স্বামীর নির্যাতনের স্বীকার গৃহবধূ 

জলঢাকায় স্বামীর নির্যাতনের স্বীকার গৃহবধূ 

 

 

 

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি

 

 

নীলফামারীর জলঢাকা পৌর সভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে পাউন্ড  স্বামীর হাতে নির্যাতনের স্বীকার গৃহবধূ।

 

স্বামী আলমগীর শুধু  স্ত্রী  রেবা বেগম (২০) কে শারিরীক নির্যাতন করে করে তার দুগ্ধপোষ্য কন্যা শিশুটিকে মায়ের কাছ থেকে  কেড়ে নিয়ে বাড়ী থেকে বের করে দেয়।

 

 

সোমবার বিকালে জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিনে গিয়ে দেখা ও জানাযায়, স্বামীর অমানবিক  নির্যাতনের স্বীকার গৃহবধূ রেবা বেগমের বাবার বাড়ী পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ায়।

 

 

গৃহবধূ রেবা জানান রাজধানী ঢাকায় গার্মেন্টস ফ্যাক্টরীতে কাজ করার সময় তাদের দুজনের পরিচয় হয়। এবং প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।তারপরে আমারা  বিবাহ করে সংসার জীবন শুরু করি।

 

বর্তমানে আমাদের চার বছরের বিবাহিত সংসার জীবনে আমাদের কোলজুড়ে ১৮ মাস বয়সী একটি

 

ফুটফুটে কন্যা সন্তান রয়েছে।

 

 

নির্যাতিত গৃহবধূ আরো বলেন আমাদোর বিবাহিত  সংসার জীবন ৩ বছর ভালো ভাবে কাটালেও বর্তমান সময়ে আমার স্বামী আলমগীর ইসলাম বাবু  বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ড ও মাদকাসক্ত সহ পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ছে, এবং ক্যাসিনো, থাই ও অনলাইন জুয়ার সাথে যুক্ত হয়েছে। এবং  প্রতিদিন গভীর রাতে বাড়িতে আসলে এসব কাজ হতে বিরত থাকতে বললে সে আমাকে মারামারি ও শারিরীক নির্যাতন করে।

 

আমি এ নির্যাতন  সহ্য করতে  না পেরে বিচারের দাবিতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেছি কিন্তু বিচার পাইনি।

 

সর্বশেষ রবিবার রাতে আমাকে মারামারি করে রক্তাক্ত জখম করে আমার ১৮ মাসের কন্যা শিশু  আয়েশা আক্তার কে আমার কোল হতে ছিনিয়ে নিয়েছে আমার স্বামী  ও শাশুড়ী।  বর্তমানে আমি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি।

 

অভিযুক্ত স্বামী  আলমগীর ইসলাম বাবু পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের মৃত ছমির উদ্দিনের ছেলে।

 

এঘটনায় সুষ্ঠু বিচারের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী। এবিষয়ে ওই এলাকার এক ব্যাক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন এ ধরনের পাশবিক নির্যাতনের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি হওয়া উচিত। যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এমন ঘটনা ঘটাতে না পারে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বামী আলমগীর ইসলাম বাবুর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!
;