কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার শহীদ ময়েজ উদ্দিন ফেরীঘাট ষ্ট্যান্ড ইজারা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচারে নানা প্রশ্নের মুখে পৌর প্রশাসক ও ইজারাদার। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস পৌর প্রশাসকের।
কালীগঞ্জ পৌরসভা সূত্রে জানা যায, কালীগঞ্জ পৌরসভার শহীদ ময়েজউদ্দিন ফেরীঘাট ষ্ট্যান্ড ইজারা প্রদানের জন্য উম্মুক্ত দরপত্র আহবান করা হয়। মো.ইব্রাহিম মোল্লা দরপত্রে অংশগ্রহণ করে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে সে মনোনীত হয়। গত ২৫ মার্চ ২০২৫ ইং ইজারাদার মো.ইব্রাহিম মোল্লাকে (১লা বৈশাখ হতে ৩০ চৈত্র ১৪৩২ পর্যন্ত) পৌরসভার অনুমোদিত টোল তালিকা অনুযায়ী টোল আদায় করার অনুমতি প্রদান করেন পৌর প্রশাসক তনিমা আফ্রাদ।
বাস, ট্রাক, পিকআপ ভ্যান হতে দিনে একবার ৩০ টাকা লেগুনা, ট্যাম্পু, মাহিন্দ্র হতে দিনে একবার ২০ টাকা এবং সিএনজি ও বেবি টেক্রাী হতে ২০ টাকা করে রশিদের মাধ্যমে ইজারাদার টোল আদায় করতে পারবে বলে ইজারা শর্তে উল্লেখ করা হয়।
কিন্তু একটি মহল পৌরসভা ও ইজারাদারের সুনাম নষ্ট করতে কোন প্রকার তথ্য উপাত্ত ছাড়াই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিত্তিহীন মিথ্যা তথ্য প্রচার করতে থাকে। ফেসবুকে লেখালেখি করায় অনেকে পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে বিরুপ মন্তব্য করে কমেন্ট করতে থাকে। কিন্তু এই সংক্রান্ত বিষয়ে কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে এবং শর্তের বাইরে ইজারাদার কোনো প্রকার কর্মকান্ড করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান পৌর প্রশাসক তনিমা আফ্রাদ। তবে এই সংবাদ লেখা পর্যন্ত কেউ পৌর প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসন বরাবর লিখিত কোনো অভিযোগ করেনি বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে ইজারাদার মো. ইব্রাহিম মোল্লা বলেন, কালীগঞ্জ পৌরসভা হতে শহীদ ময়েজ উদ্দিন ফেরীঘাট ষ্ট্যান্ড ইজারা প্রদানের জন্য উন্মুক্ত দরপত্র আহবান করলে আমি তাতে অংশগ্রহণ করি। সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ইজারাদার হিসেবে মনোনীত হই। টোল তালিকা ও শর্ত মোতাবেক রশিদের মাধ্যমে টোল আদায় করে আসছি। একটি মহল কোনো প্রকার তথ্য প্রমাণ ছাড়া আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মিথ্যা ও বানোয়াট কল্পকাহিনী প্রচার করে যাচ্ছে। যা খুবই দুঃখজনক।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ পৌর প্রশাসক তনিমা আফ্রাদ বলেন, ‘হাট বাজার ইজারা নীতিমালা-২০০৩’ অনুযায়ী কালীগঞ্জ পৌরসভার দেওপাড়াস্থ শহীদ ময়েজ উদ্দিন ফেরীঘাট ষ্ট্যান্ড (১লা বৈশাখ হইতে ৩০ চৈত্র ১৪৩২ পর্যন্ত) ইজারা প্রদান করা হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইজারাদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করছে। কিন্তু লিখিতভাবে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ইজারা বাতিল সহ ‘হাট বাজার ইজারা নীতিমালা-২০০৩’ ও চুক্তিপত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal