হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান
জলঢাকা, নীলফামারী প্রতিনিধি:
নীলফামারীর জলঢাকায় দৈনিক মানবজমিন-এর প্রতিনিধি ও রিপোর্টার্স ইউনিটির জলঢাকা উপজেলা শাখার সভাপতি শাহজাহান বাদশা ওরফে ‘জিনের বাদশা’-র বিরুদ্ধে ৬৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রতারণার শিকার উপজেলার কাঠালী এসি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও ‘জবান এন্ড সন্স এর মালিক আসাদুল হক মাস্টার এ অভিযোগ তুলেছেন।
আসাদুল মাস্টার জানান সাংবাদিক পরিচয়ে বাদশা শাহজাহান গত তিন বছর ধরে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রকল্প এবং ব্যক্তিগত বাড়ি নির্মাণের কথা বলে আমার প্রতিষ্ঠান থেকে ইট, বালু ও সিমেন্ট নিয়েছেন। তবে এসব পণ্যের দাম পরিশোধ না করে কৌশলে সময়ক্ষেপণ করেছেন। এভাবে ধাপে ধাপে ৬৩ লাখ টাকা বাকি রাখেন তিনি।
আসাদুল মাস্টার আরো বলেন
টাকা আদায়ের জন্য তিনি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, পুলিশের দ্বারস্থ হন প্রতিকার চেয়ে । এদিকে
সালিশের একপর্যায়ে জলঢাকা থানার অফিসার ইনচার্জের কক্ষে বসে বিষয়টি আপোস মীমাংসা করার জন্য শাহজাহান বাদশা।
তিনটি চেক প্রদান করেন।
কিন্তু ব্যাংকে চেক জমা দিলে দেখা যায়, চেকের স্বাক্ষর মিলছে না! অর্থাৎ চেক দিয়ে প্রতারণা করে আসাদুল মাস্টার সহ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মর্মান্তিকভাবে প্রতারিত করেছেন তিনি।
এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার (১৭ মার্চ ২০২৫) দুপুরে অভিযুক্ত শাহজাহান বাদশার বাড়ির সামনে শতাধিক মানুষকে নিয়ে বিক্ষোভ ও পথসভা করেন ভুক্তভোগী আসাদুল মাস্টার। সেখানে তিনি জানান, টাকা ফেরত চাইলেই প্রতারণার নানা অজুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে যান শাহজাহান বাদশা।
এদিকে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী স্থানীয়রা শাহজাহান বাদশার বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তারা বলেন, একজন সাংবাদিকের দায়িত্ব সত্য প্রকাশ করা, কিন্তু শাহজাহান নিজেই চরম প্রতারণায় লিপ্ত। তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষ আরও প্রতারিত হবে।
বিক্ষুব্ধ জনতা ও ভুক্তভোগীরা জানানএই ধরনের প্রতারণার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ জনগণের প্রতি অবিচার চলতেই থাকবে। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে অনতিবিলম্বে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হলো।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal