
হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান
নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি
নীলফামারীর জলঢাকার আলু যাচ্ছে মালেশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে ।
সোমবার দুপুরে উপজেলা বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে গিয়ে দেখা ও জানাযায়,
সানশাইন,সান্তানা,কুইন অ্যানি, সেভেন, কুমারিকাসহ কয়েকটি জাতের আলু বিদেশে যাওয়ায় আলুর দাম নিয়ে এই দুঃসময়ে কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন আলু চাষি ও ব্যবসায়ীরা। এরই মধ্যে এ উপজেলা থেকে বর্তমানে প্রায় ৯০ মেট্রিক টন আলু মালোয়েশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়েছে। দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হওয়া এসব আলু বিদেশের বিভিন্ন চিপস কোম্পানীগুলো কাঁচামাল হিসেবে
ব্যবহার করে থাকে।
এদিকে নিজের দেশের ও নীলফামারীর জলঢাকার আলু বিদেশে রপ্তানি হওয়ায় খুশি উপজেলার কৃষকেরা।
উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেঙ্গনমারী বটতলা এলাকার কৃষক আবদুল মান্নান জানান, এবার আলু চাষ করে খরচও উঠছে না। বর্তমানে পাইকাররা জমি থেকেই ১০ থেকে ১২ টাকা কেজি দরে আলু কিনে নিয়ে যাচ্ছে। আলু বিদেশে রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় তারা আশার আলো দেখছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়,এবার জলঢাকায় ৩ হাজার ৭৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৭১ হাজার ২ শত ২৬ মেট্রিক টন নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদেশে ৫ থেকে ৬ হাজার মেট্রিক টন আলু রপ্তানি হতে পারে।
রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এগ্রোটেক বিডির জুনিয়র ম্যানেজার শাহাদাত হোসেন সাজু বলেন,এই উপজেলা থেকে আমরা কৃষকদের কাছ থেকে আলুর কেজি প্রতি ১২-১৩ টাকা দামে কিনে নিচ্ছি।আশা করছি চাহিদা বৃদ্ধি পেলে আলু চাষীরা আরও দাম পাবে।তিনি আরও জানান,এই অঞ্চল থেকে আলুর পাশাপাশি তারা বাঁধাকপি ও মিষ্টি কুমড়া সহ বিভিন্ন ফসল বিদেশে রপ্তানি করেন। কৃষকদের সুবিধার্থে তারা মাঠ থেকেই আলু তুলে গাড়িতে লোড করে নিয়ে যান।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ বলেন,চাহিদার তুলনায় অধিক আলু উৎপাদন করায় বাজারে কিছুটা আলুর দরপতন হয়েছে।আলু চাষীদের জন্য ভালো খবর হলো,এই অঞ্চলের আলু বিদেশের মাঠিতে রপ্তানি হচ্ছে।আলুর পাশাপাশি মিষ্টি কুমড়া,পাতা কপি রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় কৃষকেরা লাভবান সহ ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারবেন।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal