
তানিয়া আক্তার
নাটোর জেলা
নাটোরে সকাল থেকে অন্যান্য দিনের মতো মিলেনি সূর্যের দেখা। ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন চারিদিক রয়েছে।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই চলছিল এ অবস্থা।
সরেজমিনে বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও নেই সূর্যে আলো। হাট-বাজারে দোকানীরা বৈদ্যুতিক বাল্প জ্বালিয়ে করছেন কেনা-বেচা।
সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া বাজারের দোকানী সুমন জানান, সকাল থেকে সূর্যের দেখা না থাকায় চারদিকে কুয়াশা আর অন্ধকার। বাধ্য হয়ে বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালিয়ে কেনা-বেচা করছি।
দিঘাপতিয়া উত্তরা গণভবনের সামনের পান দোকানী শাহিন জানান, ক্রেতা খুব কম। যেই দুই-একজন আসছেন, প্রয়োজনীয় জিনিস কিনে দ্রুত চলে যাচ্ছেন।
পাশের চা দোকানী হাবিবুর রহমান জানান, শীতের কারণে সকাল থেকেই চা বিক্রি বেড়ে গেছে। ফলে দোকানে ভীর জমেই আছে।
দিঘাপতিয়া উত্তরা কেজি একাডেমীর সহকারী প্রধান শিক্ষক মাসৌরা খাতুন কাকলী জানান, শীতের কারণে শিশুরা একটু দেরি করে স্কুলে আসে। ক্লাস নিয়ে দুপুরেই ছুটি দেওয়া হয়েছে।
উত্তরা গণভবনের তত্বাবধায়ক বাশার জানান, গণভবনে পর্যটকের সংখ্যা কম। যে দুই-একজন আসছেন, তারাও কিছু সময় ঘোড়াঘুড়ি করে চলে যাচ্ছেন।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের দায়িত্বরত নাজমুল হোসেন জানান, সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার দিনব্যাপী নাটোরসহ আশেপাশের এলাকায় সূর্যের আলো দেখার সম্ভাবনা নেই। তবে মঙ্গলবার আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হতে পারে।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal