হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান জলঢাকা নীলফামারী প্রতিনিধি
নীলফামারীর জলঢাকায় মাঘের শুরুতেই প্রতিটি গ্রামেই গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে কাঁঠালের মুচি। উপজেলার পৌরসভা সহ ১১টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গত বছরের মতো এ বছরও প্রতিটি গাছে প্রচুর কাঠালের মুচি ধরেছে। বাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে ফসলি জমির দু’ধারসহ বিভিন্ন জমিতে কাঁঠালের ফলন চোখে পড়ার মতো। গাছের গোড়া থেকে শুরু করে মগডাল পর্যন্ত থোকা থোকা ঝুলে থাকা মুচিগুলোই বলে দেয় ফলনে উপযোগী এই এলাকার মাটি।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কথা হয় কৈমারী ইউনিয়ন গাবরোল গ্রামের কাঠাল চাষি আলম ও পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের ডাঙ্গাপাড়া এলাকার সজলের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবছর গাছে প্রচুর কাঁঠালের মুচি এসেছে। বড় গাছে ১০০-২০০টি এবং ছোট গাছে ৭০-১০০টি করে মুচি রয়েছে। যদি আবহাওয়া ঠিক থাকে তাহলে এ বছর প্রতিটি গাছে প্রায় শতাধিক কাঠাল থাকবে বলে আশা করেন চাষিরা। তবে কাঠাল পরিপক্ষ হতে আরো ৪০-৫০ দিনের মতো সময় লাগতে পারে।তারা জানান, আকৃতিভেদে প্রতিটি কাঁঠাল খুচরা ও পাইকারি মূল্য আনুমানিক ৫০ থেকে ১৫০ টাকা হয়ে থাকে। কাঁঠাল সংরক্ষণ এবং সুষ্ঠু বাজারজাতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা থাকলে চাষিরা কাঁঠালের ভালো দাম পাবেন বলে জানান। সংশ্লিষ্টদের কাছে এমন প্রত্যাশা করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ জানান,
উপজেলায় এবার ২৯৭৩ হেক্টর জমিতে কাঁঠালের চাষাবাদ হয়েছে। এবারে আমাদের লক্ষ্য মাত্রা রয়েছে ৬২ হাজার ৭০ মেট্রিকটন। কাঁঠালের তেমন কোনো রোগ বালাই হয় না তবুও
কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে বিশেষ সুবিধা ও যথাযথ পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা বিভিন্ন এলাকাজুড়ে প্রতিটি কাঁঠাল গাছেই ব্যাপকহারে মুচি ধরেছে। গত বছরের তুলনায় এবছর আশানুরুপ ফলন আশা করছি।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal