টঙ্গী (গাজীপুর) প্রতিনিধি
গাজীপুরের টঙ্গীতে এক মহিলা দলের নেত্রীর বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদী সংগঠন আওয়ামী মহিলা লীগের নেত্রীদের পূর্ণবাসনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা ক্ষোভ বিরাজ করছে মহিলা দলের ত্যাগী ও তৃণমূলের নেতৃবৃন্দের মাঝে।
অভিযুক্ত নারী নেত্রীর নাম রাবেয়া আক্তার। তিনি টঙ্গী পূর্ব থানা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক।
মহিলা দলের একাধিক নেতাকর্মীরা জানান, তিনি বিএনপির ত্যাগী নেত্রীদের উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ নারীদের কে দলে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ক্ষুব্ধ নেতৃবৃন্দের দাবি, এরশাদনগর এলাকার ১ নম্বর ব্লকের বাসিন্দা পারুল বেগম ও তার বড় বোন পারভিন বেগমকে বিএনপি’র সহযোগী সংগঠন মহিলা দলের রাজনীতিতে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন তিনি। অথচ তাদের অতীত রাজনৈতিক পরিচয় ও কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পারভিন বেগম অতীতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এমনকি ২০১৮ সাল ও ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে তারা নৌকার ব্যাজ গলায় ধারণ করে প্রচারণায় অংশ নেন।
এদিকে, পারভিন এর ছোট বোন পারুল বেগমের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। একাধিকবার তাকে মাদকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও রয়েছে। আওয়ামী লীগের শাসনামলে স্থানীয় নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি এরশাদনগর এলাকায় গড়ে তুলেছিলেন মাদকের সাম্রাজ্য। এলাকাবাসীর ভাষায়, এই সাম্রাজ্যের একমাত্র “রানী” ছিলেন তিনি। ৫ আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পারভিন ও পারুলি কে আশ্রয় দেন রাবেয়া আক্তার।
তিনি আওয়ামী লীগের দোষর পারভিন ও টঙ্গীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পারুলি কে নিজের ছত্রছায়ায় রেখে বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় করছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে টঙ্গী পূর্ব থানা মহিলা দলের পদধারী এক নারী নেত্রী বলেন, আমরা মাঠে মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে রাজনীতি করি। অথচ যাদের অতীত মাদক ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের দলে টেনে আনা হচ্ছে। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে।
এ বিষয়ে রাবেয়া আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal