সর্বশেষ :
Home / সারাদেশ / ভেজাল ও নকল শিশু খাদ্যে সয়লাব জলঢাকা ,স্বাস্থ্য ঝুকিঁতে শিশুরা

ভেজাল ও নকল শিশু খাদ্যে সয়লাব জলঢাকা ,স্বাস্থ্য ঝুকিঁতে শিশুরা

 

 

 

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান

 

নীলফামারী প্রতিনিধি

 

নীলফামারীর জলঢাকায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে অনুমোদনহীন ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী করা হচ্ছে ভিন্ন শিশু খাদ্য সামগ্রী। আর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরী করা এসব শিশু খাদ্য সামগ্রী বিভিন্ন  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে ও গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার দোকান গুলোতে  নামীদামী ব্রান্ডের মোড়কে নিম্নমানের নকল ফলের জুস, রঙিন ড্রিংক, লাচ্ছি, ললিপপ,চিপস, চকলেট, ক্যান্ডি, চাটনি, চুইংগাম, ভাজা চিফস, ওয়েফার, লিচু, ডেইরি, আইচ পপসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যে সয়লাব হয়ে গেছে। যা শিশুদের নজর কাড়ে দারুণভাবে। এতে করে এগুলো খেয়ে শিশুরা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকির মধ্যে পড়ছে যা শিশুর সুস্থ বিকাশে মারাত্মক বাধা সৃষ্টি করেছে। আর শিশুরা না বুঝে এবং রং-বেরংএর মোড়ক ও খেলনার প্রতি আৎকৃষ্ট হয়ে এসব বিষাক্ত খাদ্য  কিনে খাচ্ছে। এমনকি গ্রামাঞ্চলের সাধারণ মানুষসহ শিক্ষিত লোকজনও বুঝে না বুঝে শিশুর মুখে তুলে দেন খাদ্য নামক এসব বিষ। যার ফলে এসব খাবার খেয়ে শিশুরা ডায়রিয়া, আমাশয়, বমি, এলার্জি সহ নানা পেটের পীড়ায় ভুগছে এবং দীর্ঘ দিন এসব খাদ্য গ্রহণের ফলে জটিল ও কঠিন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। যা তাৎখণিকভাবে আমরা উপলব্ধি করতে পারছি না।

 

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতামত অনুযায়ী, শিশুরা এসব খাবার খেলে নানা রকম পেটের অসুখ হয়ে থাকে। এ ছাড়াও দীর্ঘদিন এসব খাবার গ্রহণের ফলে তাদের খুদামন্দা দেখা দেয়, স্নায়ু দূর্বল থাকে, মেধাশক্তি কমে যায়, পাকস্থলিতে আলসার হয় এবং এক সময় কিডনি অকেজো হয়ে পড়ে। এছাড়াও শিশুদের শারিরিক, মানসিক ও রক্তকোষী বিকাশে দারুণ ভাবে বাঁধাগ্রস্থ করে এসব পুষ্টি ও মানহীন শিশু খাদ্যে। তাই শিশুদের শারীরিক ও মানষিক বিকাশে পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এধরণের ভেজাল খাদ্য  গ্রহন শিশুদের জন্য ভয়ংকর পরিনতি ডেকে আনতে পারে। তাই এ পরিস্থিতি থেকে উত্তোরনের জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারন ভোক্তাদেরও সচেতনতা জরুরী।উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেজি স্কুল, মাদরাসা ও পাড়া মহল্লার বিভিন্ন শিশু-কিশোরদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে ও আশপাশের মুদি দোকান, ভ্যারাইটিজ স্টোর, কনফেকশনারি ও চায়ের দোকানে বেশি পাওয়া যাচ্ছে এই শিশু খাদ্য সামগ্রী। আবার বাড়ি বাড়ি গিয়েও খোলা চানাচুর, চকলেট, চিফস, কদমা ও সন্দেশসহ মিষ্টি জাতীয় খাবার বিক্রি করতে দেখা গেছে। খাদ্য সামগ্রী ক্রয় করছে আবার সব দেখে শুনে ও বুঝেও শিশুদের বাহানার কাছে অসহায় সব পিতামাতা বা আত্মীয়-স্বজন। তাই বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এসব নিন্মমানের বিভিন্ন নামীদামী ব্রান্ডের মোড়কে ভেজাল ও নকল খাদ্য শিশুদের হাতে তুলে দিচ্ছেন অবিভাবকরা। ফলে শিশুরা দিনের পর দিন স্বাস্থ্য ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আক্রান্ত হচ্ছে পুষ্টিহীন রোগ, পেটের পীড়াসহ নানা জটিল ও কঠিন রোগে। শিশুর সুস্বাস্থ্য নিয়ে মহাবিপাকে পড়েছেন তারা।এদিকে দেশের বড়বড় শহর ও হাটবাজার গুলোতে ভেজাল, নকল ও মানহীন শিশুখাদ্য প্রতিরোধে মাঝে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের অভিযান নজরে এলেও উৎপাদনকৃত কারখানা, জেলা ও উপজেলার সদরে পাইকারি বিক্রয়ের স্থান ও খুচরা পর্যায়ে জোরালো কোনো অভিযান পরিচালনা না থাকা এবং জনসচেতনতায় দৃশ্যমান কোনো প্রচার-প্রচারণা ও কর্মসূচি না থাকায় এগুলো দিন দিন ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।সচেতন মহল মনে করেন, কিছু বিবেকহীন মুনাফালোভী মানুষ ব্যবসার নামে হরহামেশা এ ধরনের অস্বাস্থ্যকর ও মানহীন খাবার তৈরি করে বিক্রি করছেন। যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হুমকি স্বরূপ। আপনার-আমার এবং সবার সামনে এসব শিশু খাদ্য ক্রয়-বিক্রয় হলেও অজ্ঞাত কারণেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কোনো কার্যকরী  ব্যবস্থা না নেয়ায় অসাধু ব্যবসায়িরা সহজেই এসব ভেজাল পন্য বাজারজাত করতে পারছে। আবার অভিভাবক হিসাবে আমরাও সচেতন হচ্ছি না।  এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা  বলেন,অস্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিহীন খাবারে শিশুর পেটের অসুখ ও ক্ষুধামন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!