সাইফুল ইসলাম, সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথায় করোনা মোকাবিলায় কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকরকে কেন্দ্র করে গত ২০২১ সালের ০৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় সহিংসতায় উপজেলা পরিষদ, থানা, সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনসহ সরকারি বিভিন্ন অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা মামলায় ২৬ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেলেন সালথা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: আসাদুজ্জামান মাতুব্বর।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো: জাহিদুল হাসান লাভলু তার জামিনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ফরিদপুর জেলা দায়রা জজ আদালত থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং সন্ধ্যার দিকে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে কারাগার থেকে বের হন।
এসময় ফরিদপুর কারাগারের সামনে সালথা উপজেলার হাজার হাজার মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানান।
এদিকে তার অপেক্ষা সালথা বাজারে হাজার হাজার লোক অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য বলেন, অামি বিএনপির রাজনৈতি করার কারনে অামাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। অাশাকরি এই মামলার সঠিক তদন্ত হলে অামি অব্যহতি পাব।
প্রসঙ্গ, গত ২০২১ সালের ০৫ এপ্রিল ফরিদপুরের সালথায় করোনা মোকাবিলায় কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকরকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যায় সহিংসতায় উপজেলা পরিষদ, থানা, সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবন, উপজেলা কৃষি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, উপজেলা চেয়ারম্যানের বাসভবন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ সালথা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: ওয়াদুদ মাতুব্বর ও ভাইস চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামানসহ ৪৮৮ জনকে অভিযুক্ত করে ফরিদপুরের আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে।
এ মামলায় দীর্ঘদিন সে পলাতক থাকার পর গত ১৭ আগস্ট ফরিদপুরের অতিরিক্ত চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করে। পরে আদালত শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এই মামলায় সালথা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: ওয়াদুদ মাতুব্বর এখনো কারাগারে রয়েছেন।
projonmo21.com Popular bangla online newsportal