সর্বশেষ :
;
Home / সারাদেশ / জলঢাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি করণে বৈষম্যের অভিযোগ 

জলঢাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি করণে বৈষম্যের অভিযোগ 

 

 

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান

 

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি :-

 

 

নীলফামারী জলঢাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি করণে আর্থিক সুবিধা নিয়ে ও বৈষম্যের মাধ্যমে বদলি করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শরিফা আখতারের বিরুদ্ধে।

 

বৈষম্য দূরীকরণ ও স্কোরিং এর পয়েন্ডের বাহিরে গিয়ে বলদি নেওয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার

 

সভার আহবান করে উপস্থিত না থাকার অভিযোগ করে ভুক্তভোগী শিক্ষকেরা।

 

উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের পশ্চিম খুটামারা গ্রামের মোত্তালিব হোসাঈন ও আবু তাহের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ পত্রের মাধ্যমে  জানা যায়, কৈমারী ইউনিয়নের বালাপাড়া গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা লিপি আক্তার ও দীঘিরপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা জান্নাতুন ফেরদৌসী কর্মস্থল বিদ্যালয় হতে বাড়ি দূরত্ব বেশী হওয়ার কারণ দেখিয়ে গত ২৬শে ফেব্রুয়ারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর আবেদন করেন। উক্ত আবেদনের সঙ্গে আরো ১০টি আবেদন জমা পরে।

 

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যাবস্থার আলোকে জানা যায়, প্রাথমিকে স্কোরিং এর আকাড় নির্ধারন বা পয়েন্ডের পার্সেন্টেসের উপর নির্ভর করে বদলি করে থাকেন কর্মকর্তারা। মোত্তালিব হোসাঈন অভিযোগ করে বলেন, স্কোরিং এর ভিত্তিতে বদলি মুল্যয়ন করার কথা থাকলেও শিক্ষা অফিসার আর্থিক সুবিধা নিয়ে যার স্কোরিং কম তাকে বদলি করছেন। আর যাদের স্কোরিং বেশি তারা হয়েছেন বৈষম্যের স্বীকার। আবু তাহের আরে অভিযোগ করে বলেন, এ সব বিষয়ে শিক্ষা অফিসার শরিফা আখতার ম্যাডামকে অবগত করলে তিনি সোমবার বিকাল ৩টায় তার অফিসে আমাদের সঙ্গে জরুরী সভার আহবান করে । কিন্তূ শিক্ষা অফিসার শরিফা আক্তার নিজেই সভা আহবান করে উপস্থিত না থেকে অফিস থেকে উধাও  হয়েছেন। ফোন দিচ্ছি কিন্তু তিনি ফোন ধরছেন না। আমাদের সঙ্গে তালবাহানা করে বদলির নির্ধারিত সময় নষ্ট করেছেন।

 

এতে আমরা পারিবারিক ভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।

 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শরিফা আখতার এর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, স্কোরিং দেখে বদলি করে থাকেন শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ। আমি শুধু মাত্র উপজেলা থেকে আবেদনগুলো প্রেরণ করি । তাছাড়া সভা আহবান করে উধাও হয়েছি এটি মিথ্যা অভিযোগ। এছাড়া বদলির জন্য  আবেদনকারী শিক্ষকদের পরিবারের সদস্যরা যে আচরন করছে তা খুবই দুঃখ জনক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

error: Content is protected !!
;